সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Secularism vs Religion : An Improper Fight ?

The problem with the secularists is that they don't understand history, even though they may read it. They don't understand the pulse of time, and most importantly, they don't understand religion, even though they may study it for the sake of studying their enemy. They don't understand human, though they gain expertise in human psychology. I'll clarify these points shortly.

Looking at the human history, it has always been and still is religion that dominates changes, though it may be in positive or negative way. On the other hand, Secularism seems to have lived only for a short period of time, compared to the known history of man. And after the event of 9/11, religion seems to be taking its place back on the table of discussion. Why is that ? This simple observation, a little looking at the past, does not trigger thought in them. That is why they are failing. They are failing everywhere.
Now don't get me wrong – because I am saying that secularism is failing everywhere, which also implies that the USA is failing, the Britain is failing, and their allies are failing. Yes, they are failing, but we have failed to perceive it. I'll get to that point later on.

The first and simples overview of my point is : secularism can't fight religion. Well, now don't get me wrong again – because we've known that secularism has fought religion and religious countries and authorities for hundreds of years, and they are still fighting – with weapons, without weapons. Yet I say, yes – secularism can't fight religion. That is where the failure of secularism comes. What the secularists are trying to do is, they are fighting us in a battlefield where we are not present. They are fighting religion, in the battlefield of secularism. But you can't fight religion with secularism ! You fight religion with religion ! The failure to understand this simple fact, along with the failure of understanding the very innate nature of human being, makes their victory short lived.

Now, let's first put this very clear : the aim of the secularists is to live an immoral life of luxury and comfort, without the religious people intervening any thing they do. If religious people do not disturb them in doing so, they (secularists) do not disturb them either. But if the religious people stand up, then they try to fight back. Now what do they fight with ? They fight religion with secularism. That is where they fail before the battle begins. Because the battle takes place in two different fields. So, which part wins depend on the very subject they are fighting to win : human.
Of course, without human, there would be no battle – nothing. Secularists try to win the hearts of people with secularism. They induce the desires in human so as to gain more and more people in their immoral life style. On the other hand, the religious people try to bring out the good in people, the sense of righteousness and sense of God in people.

Both the things that the two combatants try to induce / bring out are present in human being, i.e., desire and righteousness. Then it seems to be a proper fight, does it not ? One is trying to induce desires of man, the other is trying to bring out the innate nature and need of surrendering to The Superior, God.

The failure of secularism is, it does not address both, while religion handles and talks about both of them. Secularism simply dismisses any sense of righteousness, existence of morality and pretends that they don't exist. This pretense leaves a vacuum in the followers and adopters of secularism. The vacuum that secularism has is the absence of righteousness. Secularism doesn't talk about it at all ! But the psychological need of being moral and just is still there in human. This vacuum, in course of time, becomes the major driving force of turning back to religion.

Coming to religion, they (secularists) find their satisfaction with something “complete”, addressing every human psychological need. Religion addresses human desires to do wrong, commit sin, and also addresses the wish to do good and to surrender to God almighty. Religion talks about both by prohibiting the wrongs, and encouraging the right and just things. That is why the secularists, who find religion as a complete code of life, don't ever get back to secularism, as we see it happening around the world.

Secularism, by its very nature, is a failure. If the west really wanted to fight religion (by which I mean Islam, because all other religions along with secularism and every other forces on earth are fighting Islam), they would have approached with religion. Instead, they went to fight us in a battlefield where we are not present.

Yes, for religion, when it starts losing it's firm control and command, practice of justice, and the most important aspects of religion – secularism starts crawling in. They enter human mind by inducing their desires for immoral activities.
Now, this may happen any time. So, for the establishment or for the existence of any Islamic state, the practice of religion and faith among it's people is the first thing to do. This is the prerequisite of establishing an Islamic government, and this is the condition for the existence of an Islamic government. (Or let's say, religious state and government). Because it is not arms and militia on which an Islamic government makes its base, but an Islamic government is based on people. And surely, Islam is not a tyranny.

This is a simple view to secularism compared to religion. Of course, there are other aspects, but I hope I have highlighted a less discussed view to it.

Another thing I would like to add to the end of the article is : no matter in what cause, whoever that fights using lie, has failed before they have begun. Because falsehood in itself cannot last longer, and must perish. On the other hand, those who fight using truth, no matter what the cause is, it will be established someday. Because truth itself is the basis of everything : basis of every existence and even the very basis of falsehood. As the definition of falsehood is “opposite of truth”, without truth, there wouldn't even exist any falsehood.

Allah says in Quraan :
And say: "Truth has (now) arrived, and Falsehood perished : for Falsehood is (by its nature) bound to perish." “ (Surah -At-Tawba, 17:81)

So, yes, those who are fighting for truth, they have already won, in this life or the next, no matter the battle has ended or not.

Nure Alam

September 22, 2013.


এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

শিয়া-সুন্নি বিরোধ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন এবং উভয় পক্ষের জবাব

শিয়া-সুন্নি বিভেদ ও দ্বন্দ বহু পুরনো বিষয়। এই দ্বন্দ নিরসনে ইতিহাসে বহু দ্বীনি ব্যক্তিত্ব বৃহত্তর মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছেন। বিপ্লবের পরপর ডা. জাকির নায়েকের ওস্তাদ আহমদ দীদাত ইরানের যান এবং সেখান থেকে ফিরে এসে শিয়া-সুন্নি ঐক্য ডায়লগে তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন, যা আমি এক সপ্তাহ আগে অনুবাদ করে প্রকাশ করেছিলাম
যা-ই হোক, এই দ্বন্দ নিশ্চিতভাবেই মুসলমানদের জন্য একটি নেতিবাচক ও দুর্বলতার দিক। এমনকি তা অনেককে চরমপন্থার দিকেও নিয়ে গিয়েছে। আগে যেই শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ আলেমসমাজ ও কতিপয় জানাশোনা ব্যক্তির মাঝে সীমাবদ্ধ ছিলো, বর্তমান সহজ তথ্যপ্রযুক্তির যুগে তা প্রায় সকল লেভেলে ছড়িয়ে পড়েছে। দেখা যাচ্ছে যে, একদল আরেক দলকে এমন অনেক অভিযোগ করছে, যেগুলো হয়তো শিয়া-সুন্নি উভয় আলেমই অগ্রহণযোগ্য বলে বাতিল করে দেবেন। তবে তথ্যের অবাধ প্রবাহের একটি সুবিধা হলো, এতে মিথ্যার প্রচার যেমন অতি সহজ, তেমনি একইভাবে মানুষের দ্বারে সত্যকে পৌঁছে দেওয়াও খুব সহজ।

আমি ব্যক্তিগতভাবে শিয়া ও সুন্নি উভয়কেই মুসলিম ভাই বলে গণ্য করি। কিন্তু তাদের বৃহত্তর ঐক্যে পৌঁছানোর ব্যর্থতা, পরস্পর শত্রুতা ও প্রেজুডি…

ইমাম খোমেনীর জীবন : এক ইসলামী বিপ্লবের ইতিহাস

রুহুল্লাহর গল্প
বিশ্ব ইমাম খোমেনীকে প্রথমবারের মত চিনেছে ১৯৭৮ সালের শেষাশেষি, যখন ইরানের রাজতন্ত্রের বিরোধিতা করার কারণে তিনি ফ্রান্সে নির্বাসিত ছিলেন। প্যারিসের অদূরে বসে ইরানের শাহ মুহাম্মদ রেজা পাহলভীর বিরুদ্ধে ইমাম খোমেনীর ঘোষিত যুদ্ধ এবং আমেরিকা বিরোধী কঠোর বক্তব্য এক অভূতপূর্ব মিডিয়া কাভারেজ এনে দিলো, এবং ইমামকে বিংশ শতকের অন্যতম বিপ্লবী চরিত্র হিসেবে পরিচিত করলো। পত্র-পত্রিকা আর নিউজ বুলেটিনে তাঁর ছবি ভরে উঠলো। এই ছবি বিশ্বের অসংখ্য মানুষের কাছে, বিশেষতঃ পশ্চিমা বিশ্বের কাছে নিতান্তই অপরিচিত ছিলো। সাদা দাড়ি এবং কালো পাগড়িধারী এই মানুষটিকে দেখে মনে হতো যেনো ইতিহাসের পাতা থেকে সময় অতিক্রম করে বর্তমানে চলে এসেছেন। তাঁর সমস্তকিছুই ছিলো নতুন আর অপরিচিত। এমনকি তাঁর নামটিও : রুহুল্লাহ। আর দুনিয়ার অসংখ্য পলিটিশিয়ান ও সাংবাদিকদের মনে যে প্রশ্নটি নাড়া দিয়ে যাচ্ছিলো, তা ছিলো : কী ধরণের বিপ্লবী মানুষ এই খোমেনী ?

শিয়া-সুন্নি ঐক্য ডায়লগ এবং আহমেদ দিদাতের ইরান অভিজ্ঞতা

(লেখাটি পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।)
আহমেদ দিদাত (১৯১৮-২০০৫) এর নাম হয়তো অনেকের অজানা থাকবে। তবে ডা. জাকির নায়েকের নাম নিশ্চয়ই অজানা নয়। ডা. জাকির নায়েকের বর্তমান কর্মকাণ্ডের অনুপ্রেরণা হলেন আহমেদ দিদাত। আহমেদ দিদাত, যিনি কিনা ডা. জাকির নায়েকের নাম দিয়েছিলেন "দিদাত প্লাস" – পৃথিবীজুড়ে ঘুরে বেড়ানো এবং তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব নিয়ে লেকচার দেয়া ছিলো তাঁর কাজ। যাহোক, ১৯৭৯ সালে ইমাম খোমেইনীর নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে ২৫০০ বছরের রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং ইসলামী ইরানের জন্ম হয়। বিপ্লব-পরবর্তী ইরানে ভিজিট করেন আহমেদ দিদাত, সাক্ষাৎ করেন ইমাম খোমেইনীর সাথে এবং নিজদেশে ফিরে এসে ১৯৮২ সালের মার্চ মাসে তাঁর অনুভূতি তুলে ধরেন। আহমেদ দিদাতের নানা বিষয়ে বক্তব্য ও চিন্তাভাবনা বাংলা ভাষায় কিছু না কিছু পাওয়া যায়। কিন্তু শিয়া-সুন্নি ঐক্যের এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁর চমৎকার বক্তব্যের অনুবাদ কোথাও না পেয়ে সবার সাথে শেয়ার করার উদ্দেশ্যেই অনুবাদ করে ফেললাম। আরেকটি বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন। মূল অডিও কোথাও কোথাও শুনতে বা বুঝতে অসুবিধা হয়। কোথাওবা অডিও নিঃশব…